শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বাদ জুমা এক বিবৃতিতে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান এই তথ্য জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংক্ষিপ্ত পরিসরে খুরুজের জোড় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে খুরুজের জোড়সহ কোনো ধরনের সমাবেশ বা অনুষ্ঠান আয়োজন না করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুরোধ জানানো হয়। তাবলীগ জামাতের মুরুব্বিরা সব সময় প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকায় সে অনুযায়ী করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, তাবলীগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ী নেজামের মেহনতের সাথী বা তাবলিগি কর্মীর সংখ্যা দেশ-বিদেশে অনেক বেশি এবং এ কার্যক্রম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত ও সমাদৃত। সাধারণত খুরুজের জোড়ে অংশগ্রহণের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ দলে দলে আসেন। তবে প্রজ্ঞাপন জারির পর নতুন করে বিদেশিদের বাংলাদেশে আসতে বারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য জেলার সাথীরা নিজ নিজ জেলা মারকাজ থেকে আল্লাহর রাস্তায় বের হবেন।
হাবিবুল্লাহ রায়হান আরো জানান, ইতিমধ্যে মাওলানা আহমদ লাট (দাঃবা)-সহ বিভিন্ন দেশ থেকে আগত শীর্ষস্থানীয় মুরুব্বিগণ বাংলাদেশে উপস্থিত রয়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, দাগেস্তান, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াা, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, কানাডা, বেলজিয়াম, ফিলিপাইন, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, ইতালি, জাপান, কেএসএ, তুর্কি, কাতার, সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, মক্কা, কুয়েত, ওমান, জর্ডান, তিউনিসিয়া, শ্রীলংকা, নেপাল, কিরগিস্তান, মিয়াানমার, জাম্বিয়া, মোজাম্বিয়া, সোমালিয়া, সোমালিল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তানসহ প্রায় ৭০টি দেশের দুই হাজারের মতো বিদেশি মেহমান মাঠে অবস্থান করছেন। তিন দিনব্যাপী খুরুজের জোড় আনুষ্ঠানিকভাবে রবিবার দোয়ার মাধ্যমে শেষ হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুমতির বিষয়ে হাবিবুল্লাহ রায়হান বলেন, মৌখিক অনুমতি পেয়েছি। অনুমতির বিষয়ে গাজীপুরের ডিসি ও জিএমপি কমিশনারকে মন্ত্রণালয় থেকে বলে দিয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের টঙ্গী ইজতেমাস্থলের দায়িত্ব প্রাপ্ত টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন খান বলেন, লিখিত কোন অনুমতি পাইনি। বিদেশি মেহমানরা যারা ময়দানে আছেন তাদের নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে। মাঠে কোনো অনুষ্ঠান হবে না।
