রবিবার (২ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে করদাতারা প্রদেয় করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত, তবে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা কর রেয়াতের সুবিধা পাবেন। তবে ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে কোনো কর রেয়াত পাওয়া যাবে না। আর নির্ধারিত সময় পেরিয়ে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর পরিশোধ করতে হবে।
এনবিআর জানায়, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে প্রদেয় করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা যেটি বেশি, সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ সালের ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে অতিরিক্ত কর হবে প্রদেয় করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা—যেটি বেশি।
রাজস্ব বোর্ডের ভাষ্য, নতুন এ প্রণোদনার লক্ষ্য করদাতাদের নির্ধারিত সময়ের আগেই রিটার্ন দাখিলে উৎসাহিত করা, স্বেচ্ছায় কর পরিপালনের সংস্কৃতি জোরদার করা এবং কর প্রশাসনকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করা।
২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ই-রিটার্ন সেবা গত ২২ জুলাই চালু করেছে এনবিআর।
রিটার্ন সফলভাবে দাখিল হলে করদাতারা তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাকনলেজমেন্ট রিসিপ্ট ও আয়কর সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন। অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের সময় কোনো সমস্যা হলে কর্মদিবসে অফিস চলাকালে এনবিআরের কল সেন্টার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।