মূর্খ না হলে পরীক্ষার মধ্যে হরতাল দিতে পারে না

কাণ্ডজ্ঞানহীন, মূর্খ ও অপদার্থ না হলে কেউ পরীক্ষার মধ্যে হরতাল-অবরোধ দিতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে নয়টায় রাজধানীর নীলক্ষেতে গভরমেন্ট পাবলিক হাই স্কুলে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে এসে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি অভিভাবকদের সাথে কথা বলেন। মন্ত্রী অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা বাচ্চাদের উৎসাহ দেবেন। তাদের বলবেন, আমাদের সময় আরও অনেক সমস্যার মধ্যে পরীক্ষা দিতে হতো।

এ সময় পারভীন নাহার নামে এক অভিভাবক মন্ত্রীকে বলেন, বাচ্চাকে পরীক্ষা দিতে নিয়ে আসা-যাওয়ার সময় আমাদের আতঙ্কে থাকতে হয়। আপনি পরীক্ষার্থীদের যথাযথ নিরাপত্তা দিন।

এর উত্তরে মন্ত্রী বলেন, আপনাকেতো একটা বাচ্চা নিয়ে টেনশনে থাকতে হয়। আর আমার ১৫ লাখ বাচ্চার নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করতে হয়।

ওই অভিভাবকের কথার রেশ ধরে নাহিদ বলেন, আমি তাদের অনেকবার অনুরোধ করেছি যাতে অন্তত পরীক্ষা শুরুর আগে ও পরে দুই ঘণ্টা করে হরতাল-অবরোধ না দেয়। কিন্তু তারা সেটাও করছে না। উল্টো বিএনপি’র এক নেতা বলছেন, কিসের পরীক্ষা!

কেন্দ্র পরিদর্শনকালে মন্ত্রী কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেননি। তিনি বলেন, ভেতরে গেলে ওদের ডিস্টার্ব হবে। ওরা ওদের মতো পরীক্ষা দিক। Nahid_801494023cc

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


*

x

Check Also

জাহান্নাম হতে মুক্তির উপায়

আল্লাহ তাআলা বান্দাকে সৃষ্টি করেছেন শুধু তার ইবাদাত করার জন্য। যারা সঠিক ভাবে আল্লাহর সকল ইবাদত পালন করবে ও নবী করিম (সা:) এর দেখানো পথে চলবে তারা পরকালে জান্নাত লাভ করবে। আর যারা পালন করবে না তারা  জাহান্নামের আজাব ভোগ করবে। এ ব্যাপারে নবী করিম (সা:) বলেছেন, ফজর ও মাগরিবের নামাজের পর কথা বলার পূর্বে সাত বার একটি দোয়া পড়াবে। যদি কেউ ফজরের পর পড়ে এবং ঐ দিনের মধ্যে মারা যায়, ঐ ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করবে। আর কেউ যদি মাগরিবের নামাজের পর এ দোয়াটি পড়ে এবং ঐ রাতে মারা যায় তবে তার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লিখে দেওয়া ...

জুমার নামাজ না পড়ার পরিণাম!

আজ জুমআর দিন বা সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এ দিনের ফজিলত অনেক। তাই কোনো মুসলমানের উচিত নয় যে, জুমআর নামাজ থেকে বিরত থাকা। জুমআর দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন ঘোষণা দিয়েছেন হযরত মুহাম্মদ (স:)। আবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, চার শ্রেণির লোক ব্যতিত জুমআ’র নামাজ ত্যাগ করা কবিরা গোনাহ। চার শ্রেণির লোক হল- * স্ত্রীলোক। * ক্রীতদাস। * অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক। * মুসাফির এবং রোগাক্রান্ত ব্যক্তি। (আবু দাউদ)। জুমআ`র নামাজ না পড়ার পরিণাম বিনা ওজরে যে বা যারা জুমআর নামাজ আদায় থেকে বিরত থাকবে, তাদের জন্য রয়েছে ভয়াবহ পরিণাম। * রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পরপর তিনটি ...

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com