আশুগঞ্জে নির্মাণাধীন ফিলিং স্টেশনের ছাদ ধসে নিহত ৪

UOIU

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলায় একটি নির্মাণাধীন ফিলিং স্টেশনের ছাদ ধসে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক সংলগ্ন বাহাদুপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে উপজেলার যাত্রাপুর গ্রামের দুলাল মিয়া (৫০),  নাজমুল (১৮) এবং সদর উপজেলার সাদেকপুর গ্রামের আবু সাঈদের (৪০) নাম জানা গেছে। নিহত অপর  ব্যক্তির পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় আহত শিপন মিয়া (২৮), রিপন মিয়া (৩০) ও হানিফ মিয়া (৩৫) নামে আরো তিন শ্রমিককে স্থানীয় ডে-নাইট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে জালাল উদ্দিনের  সায়েরা ফিলিং স্টেশনের ভবন নির্মাণের কাজ করছিলেন হতাহত শ্রমিকরা। এসময় ছাদের বিভিন্ন অংশ ধসে শ্রমিকদের ওপর পড়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে ডে-নাইট হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ধ্বংসস্তূপ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, ‘নির্মাণাধীন ফিলিং স্টেশনের ধ্বংসস্তূপ থেকে এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। নিহতদের প্রত্যেকের দাফনের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়া হবে।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


*

x

Check Also

095006Rangpur_KalerKantho

রংপুরে বাসচাপায় প্রাণ হারালেন অটোরিকশার ৩ যাত্রী

  রংপুর শহরের হাজীরহাট এলাকায় হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৩ জন। আজ রবিবার সকাল ৭টার দিকে হাজীরহাট ব্রিজ সংলগ্ন আকিজ কোম্পানির সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি নৈশকোচ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাত্রীবোঝাই একটি ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন মারা যান। রংপুর কোতোয়ালী থানার এসআই মনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মরদেহগুলি উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

এক রুটিতে দিন পার করা সেই ছেলেটি আজ বিসিএস ক্যাডার!

বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় যাওয়ার মতো ভালো কোনো পোশাক ছিল না ছেলেটির। এক বন্ধু তখন পাশে এসে দাঁড়ায়। আর চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো দিন সকালে নাশতা করেননি। শুধু দুপুরের দিকে পাঁচ টাকা দামের একটা পাউরুটি খেয়ে দিন পার করতেন। সেই ছেলেটিই আজ বিসিএস ক্যাডার। শুনুনু তাহলে অদম্য সেই ছেলেটির গল্প- আবু সায়েমের বাড়ি কুড়িগ্রামে। বাবা অন্যের জমিতে কাজ করতেন। সে আয়ে তিনবেলা ভাত জুটত না। বাড়তি আয়ের জন্য মা কাঁথা সেলাই করতেন। তারপর সে কাঁথা বাড়ি বাড়ি বিক্রি করতেন। কত দিন কত রাত সায়েম যে না খেয়ে কাটিয়েছেন, সে হিসাব নিজেও জানেন না। আজ সায়েমের কষ্টের দিন ঘুচেছে। ৩৫তম বিসিএসে ...

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com