পানিতে ডুবে ক্রিকেটার পাইলটের বাবার মৃত্যু

kg

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলটের বাবা শামসুল আলম মোল্লা (৭০) পানিতে ডুবে মারা গেছেন। রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজশাহী মহানগরীর সাগরপাড়া এলাকার একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

জানা গেছে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গোসল করতে নেমে শামসুল আলম পুকুরের পানিতে তলিয়ে যান। সাগরপাড়া মহল্লাতেই শামসুল আলম মোল্লার বাসা।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজশাহী সদর স্টেশনের অফিসার ফরহাদ হোসেন বলেন, শামসুল আলম মোল্লা মহল্লার ডা. আবদুল কাইয়ুমের পুকুরে গোসল করতে নেমেছিলেন। এরপর তিনি তলিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সন্ধান না পেয়ে দমকল বাহিনীকে খবর দেন। এরপর দুপুরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল গিয়ে পুকুরের তলদেশে অনুসন্ধান শুরু করে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে মরদেহ পাওয়া যায়। মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান স্টেশন অফিসার ফরহাদ হোসেন।

নগরীর বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমান উল্লাহ বলেন, ক্রিকেটার পাইলটের বাবা মারা যাওয়ার ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তিনি পাইলটদের বাসায় যাচ্ছেন। পরবর্তীতে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


*

x

Check Also

রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পুড়ে ছাই : কূটনীতিকদের বিবৃতি

মিয়ানমারে কর্মরত অধিকাংশ পশ্চিমা দেশসহ ২০ দেশের রাষ্ট্রদূত এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেছেন, তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গা গ্রামগুলো পরিদর্শনকালে দেখেছেন যে তাদের বাড়ি-ঘর পুড়ে ছাই। আজ বসতবাড়ির বাসিন্দারা অন্য কোথাও পালিয়ে গেছে এবং তারা সেনাবাহিনীর সহিংসতায় ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য দেখেছেন। গতকাল ওই অঞ্চলে মিয়ানমার সরকারের সহযোগিতায় রাখাইন সফর শেষে কূটনীতিকরা বলেন, ‘আমরা দেখেছি গ্রামগুলো পুড়ে গেছে এবং সেখানে কোন মানুষজন নেই… সেখানকার সহিংসতা অবশ্যই থামাতে হবে।’ কূটনীতিকরা বলেন, ‘আমরা ওই সফরে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখেছি’ এবং ‘আমরা আরেকবার আহ্বান জানাচ্ছি সেখানে যেন মানুষ নির্বিঘেœ বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি ওই রাজ্যে জীবনরক্ষাকারী সেবা পৌছাতে হবে এবং অন্য রাজ্যের সাথে কোন বৈষম্য রাখা ...

russia-death-body-eat

যেভাবে ধরা পড়লেন সেই মানুষ খেকো স্বামী-স্ত্রী

রাশিয়ার নরখাদক পরিবারটির বক্তব্য শুনলে শরীর শীতল হয়ে যায়। এই পরিবারের সবাই মানুষ খায়। এই মানুষখেকো দম্পতি প্রায় ৩০ জনকে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করেছে । ৩৫ বছর বয়সী দিমিত্রি বাকশেভ এবং তার স্ত্রী নাতালিয়া যে জায়গায় বসবাস করেন সে সামরিক ঘাঁটিতে কাঁটা-ছেড়া ও অঙ্গহীন একটি লাশ পাওয়া গেলে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বাসস্থানে তল্লাশি করে পাওয়া বেশকিছু খাদ্যদ্রব্য ও মাংসের ডিএনএ পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ মাসের শুরুর দিকে সড়ক নির্মাণ শ্রমিকদের রাস্তার পাশে ফেলে যাওয়া একটি মোবাইলের ছবিতে শরীরের কাঁটা-ছেড়া অঙ্গের বেশকিছু গ্রাফিক চিত্র পাওয়া গেছে। এর আগে রাশিয়ান গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা গেছে মিঃ ...

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com