সেলাই কাটার পর কেমন আছে জোড়া শিশু?

3aCVXs_1502884849

অস্ত্রোপচারে পৃথক করা গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ১০ মাস বয়সি জোড়া শিশু তোফা ও তহুরা এখন ভাল আছে।

বুধবার (১৬ আগস্ট) তাদের সেলাই কাটা হয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার অথবা শুক্রবার তাদের প্রস্রাবের রাস্তার নলও খুলে দেয়া হতে পারে।

শিশু দুটির বর্তমান অবস্থা সম্পের্ক জানতে চাইলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাহনূর ইসলাম বিডি২৪লাইভকে বলেন, ওরা এখন ভাল আছে। আজ ওদের সেলাই কাটা হয়েছে। খাবার দাবার ঠিকমত চলছে। অন্য কোন সমস্যাও নেই। তবে আরো কয়েকদিন ওদের হাসপাতালে থাকা লাগবে।

পরবর্তী চিকিৎসা সম্পর্কে তিনি বলেন, ক্যাথেটার আছে, ক্যাথেটার খোলা হবে। প্রস্রাবের রাস্তায় নল দেয়া আছে ওটা খুলতে হবে। নল খোলার আগে গ্লাপ করা হয়। আমরা গ্লাপ করা শুরু করেছি। অবস্থা বুঝে আগামীকাল বা পরশু নল খোলা হবে হয়তো।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তোফা ও তহুরার জন্ম হয়। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের ঝিনিয়া গ্রামের রাজু মিয়া ও শাহিদা বেগমের জোড়া সন্তান তোফা ও তহুরা। গত ৭ অক্টোবর ৯ দিন বয়সে জোড়া শিশু দুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে জোড়া শিশু দুটির প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করা হয়।

print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


*

x

Check Also

095006Rangpur_KalerKantho

রংপুরে বাসচাপায় প্রাণ হারালেন অটোরিকশার ৩ যাত্রী

  রংপুর শহরের হাজীরহাট এলাকায় হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৩ জন। আজ রবিবার সকাল ৭টার দিকে হাজীরহাট ব্রিজ সংলগ্ন আকিজ কোম্পানির সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি নৈশকোচ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাত্রীবোঝাই একটি ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন মারা যান। রংপুর কোতোয়ালী থানার এসআই মনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মরদেহগুলি উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

এক রুটিতে দিন পার করা সেই ছেলেটি আজ বিসিএস ক্যাডার!

বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় যাওয়ার মতো ভালো কোনো পোশাক ছিল না ছেলেটির। এক বন্ধু তখন পাশে এসে দাঁড়ায়। আর চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো দিন সকালে নাশতা করেননি। শুধু দুপুরের দিকে পাঁচ টাকা দামের একটা পাউরুটি খেয়ে দিন পার করতেন। সেই ছেলেটিই আজ বিসিএস ক্যাডার। শুনুনু তাহলে অদম্য সেই ছেলেটির গল্প- আবু সায়েমের বাড়ি কুড়িগ্রামে। বাবা অন্যের জমিতে কাজ করতেন। সে আয়ে তিনবেলা ভাত জুটত না। বাড়তি আয়ের জন্য মা কাঁথা সেলাই করতেন। তারপর সে কাঁথা বাড়ি বাড়ি বিক্রি করতেন। কত দিন কত রাত সায়েম যে না খেয়ে কাটিয়েছেন, সে হিসাব নিজেও জানেন না। আজ সায়েমের কষ্টের দিন ঘুচেছে। ৩৫তম বিসিএসে ...

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com