লক্ষীপুরে মালবাহী টেম্পু ও সিএনজি চালিত অটোরিকসার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৬জন আহত হয়েছেন।

s-2-640x360
জেলা প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর:
লক্ষীপুরে মালবাহী টেম্পু ও সিএনজি চালিত অটোরিকসার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ৬জন আহত হয়েছেন। আজ বেলা ১১টার দিকে লক্ষীপুর-রামগতি সড়কের কালভার্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, সিএনজি চালক জহির (২৫), যাত্রী মারজাহান বেগম (৩২), তার শিশু মেহেরাজ (১৫ মাস) ও নুর আলম (৩০)। তবে আহতদের মধ্যে দুইজনের নাম জানা যায়নি। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশংকাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কমলনগর থেকে আসা যাত্রীবাহী সিএনজি ও মালবাহী টেম্পুর মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় নারী ও শিশুসহ সিএনজি যাত্রীরা আহত হন। স্থানীয়রা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আদর্শ ফান্ড’র সদস্যরা দেখতে পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।
লক্ষীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


*

x

Check Also

095006Rangpur_KalerKantho

রংপুরে বাসচাপায় প্রাণ হারালেন অটোরিকশার ৩ যাত্রী

  রংপুর শহরের হাজীরহাট এলাকায় হানিফ পরিবহনের একটি বাসের চাপায় ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৩ জন। আজ রবিবার সকাল ৭টার দিকে হাজীরহাট ব্রিজ সংলগ্ন আকিজ কোম্পানির সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁওগামী হানিফ এন্টারপ্রাইজের একটি নৈশকোচ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাত্রীবোঝাই একটি ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন ও হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন মারা যান। রংপুর কোতোয়ালী থানার এসআই মনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের কাছে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মরদেহগুলি উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

এক রুটিতে দিন পার করা সেই ছেলেটি আজ বিসিএস ক্যাডার!

বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় যাওয়ার মতো ভালো কোনো পোশাক ছিল না ছেলেটির। এক বন্ধু তখন পাশে এসে দাঁড়ায়। আর চাকরি পাওয়ার আগ পর্যন্ত কোনো দিন সকালে নাশতা করেননি। শুধু দুপুরের দিকে পাঁচ টাকা দামের একটা পাউরুটি খেয়ে দিন পার করতেন। সেই ছেলেটিই আজ বিসিএস ক্যাডার। শুনুনু তাহলে অদম্য সেই ছেলেটির গল্প- আবু সায়েমের বাড়ি কুড়িগ্রামে। বাবা অন্যের জমিতে কাজ করতেন। সে আয়ে তিনবেলা ভাত জুটত না। বাড়তি আয়ের জন্য মা কাঁথা সেলাই করতেন। তারপর সে কাঁথা বাড়ি বাড়ি বিক্রি করতেন। কত দিন কত রাত সায়েম যে না খেয়ে কাটিয়েছেন, সে হিসাব নিজেও জানেন না। আজ সায়েমের কষ্টের দিন ঘুচেছে। ৩৫তম বিসিএসে ...

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com